ফতোয়ায়ে আরিফ কিতাবের মাসআলা সমূহের পরিচিতি নং
এ কিতাবের প্রত্যেকটি মাসআলার থাকবে একটি পরিচিতি নং। কিতাবটির যে কোন মাসআলা যে কোথাও বলতে বা লিখতে বা শেয়ার করতে, এ পরিচিতি নম্বরটি, অন্তত কিতাব প্রণয়নের দিক থেকে এটি কত নম্বর মাসআলা, তা বলা বা লিখা বাধ্যতামূলক থাকবে। নতুবা কেউ এ কিতাবের মাসআলা বা এ কিতাবে রয়েছে; এভাবে এ কিতাবের বরাত দিয়ে; এ কিতাবের কোন মাসআলা কোথাও বলতে বা লিখতে বা যে কোথাও শেয়ার করতে পারবেন না। যদি কেউ এরূপ করে থাকেন, তবে তা অবশ্যই শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে সাব্যস্তকৃত হবে এবং নম্বর বিহীন বিবৃতকৃত মাসআলাটি অগ্রহণীয় বা বাতিল বলে গণ্য হবে। এমনকি যদি কোন ইসলামিক স্কলার বা সম্মানিত মুফতি সাহেব তার যে কোন ওয়াজ মাহফিলে কিংবা মসজিদে অথবা যে কোথাও বলে থাকেন না কেন বা যে কোথাও লিখে থাকেন না কেন; অর্থাৎ অলি থেকে যত বড় অলিই'ই হোন না কেন; সকলের জন্য একই আইন বলবৎ হবে। তার মানে, এমনটি নয় যে, মুজতাহিদ ঈমামদের জন্য বা মসজিদে হারাম শরীফের ঈমামদের জন্য এ আইনটি বলবৎ হবে না। বরং পরিচিতি নং বিহীন বা অন্তত মাসআলা নং, মানে কিতাব প্রণয়নের দিক থেকে, এটি কত নম্বর মাসআলা, তা না বললে, বা না লিখলে, তবে সে বুজর্গ হোক আর সাধারণ মানুষ হোক, তা অবশ্যই অগ্রহণীয় ও পরিত্যায্য হবে।
তবে শরিয়তের মাসআলা হিসেবে নয়, সাধারণ ভাবে মানুষদেরকে বা কাউকে কোন কিছু বুঝানোর ক্ষেত্রে শরিয়তের যে কোন বিষয়ে আলোচনার নিমিত্তে বলা যাবে। যার মান কখনো মাসআলা হবে না। সাধারণ আলোচনার মধ্যেই তা সীমাবদ্ধ থাকবে।
এ কিতাবের মাসআলা নং বলতে, কিতাব প্রণয়নের দিক থেকে এটি কত নম্বর মাসআলা, তাকে বুঝাবে।
পরিচিতি নাম্বারের বিবরণঃ
নিম্নে প্রতীক আকারে পরিচিতি নম্বরটি কীরূপ হবে, প্রথমে তা তুলে ধরা হলোঃ
# .*.$.%.&
যার ব্যাখ্যা হবে নিম্নরূপ-
# = খন্ড নং
* = পৃষ্ঠা নং
$.= স্তম্ভ নং।
(যেমন- ১/২/৩/৪/৫, ১=ঈমান,২= নামাজ, ৩= যাকাত, ৪= রোজা, ৫= হজ্জ।)
মাসআলা নং (প্রকাশ)= %
মাসআলা নং (কিতাব প্রণয়ন)= &
উদাহরণ স্বরূপ যে কোন একটি মাসআলার পরিচিতি নম্বর হতে পারে নিম্নরূপ-
৫.৩০০.২.৩.৫৫০
মানে উপর্যুক্ত মাসআলাটি এ কিতাবের ৫ নং খন্ডের ৩০০ নং পৃষ্ঠায় রয়েছে। এটি নামাজ বিষয়ক। এটি প্রকাশের দিক থেকে ৩ নং মাসআলা ছিলো। কিন্তু পুস্তক আকারে প্রণয়ন করতে/সাজাতে এটিকে ৫৫০ নাম্বারে স্থান দিতে হয়েছে।
মানে এ কিতাবের এটি ৫৫০ নং মাসআলা।
ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকুন
সসপনসফফপপঠ
0 Comments